বায়ুদূষণের সঠিক মাত্রা মাপা পরিমাপের ড্রোন ii

লাইফস্টাইল ডেস্ক বিভিন্ন সময় বায়ুদূষণের সঠিক মাত্রা মাপা গবেষকদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আর এ কাজে বিভিন্ন উচ্চতায় বায়ুর দূষণ মাপারও প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ প্রয়োজনীয়তা মেটাতে এগিয়ে এসেছেন পেরুর ২৩ বছর বয়সী মনিকা অ্যাবারকা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্টারেস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং।
যে আকাশযান বা ড্রোন বানিয়েছেন তার কাজ শুধু বায়ুদূষণ পরিমাপ করা। এটি বায়ুর বিভিন্ন উচ্চতায় উঠে এ কাজ করতে পারে নিপুণভাবে। বায়ুদূষণ পরিমাপের এ কাজ করার জন্য ড্রোনটিতে সংযোজন করা হয়েছে বিভিন্ন সেন্সর ও প্রয়োজনীয় অ্যালগরিদম। এসব একত্রে কাজে লাগিয়ে বায়ুর দূষণ মাপা সম্ভব হচ্ছে। এ তথ্য বিভিন্ন গবেষণাতেও ব্যবহার করা যাচ্ছে।
বায়ুদূষণ পরিমাপের এ কাজটি করার জন্য ড্রোনটি বিশেষভাবে উপযোগী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ এমন বিভিন্ন স্থানে বায়ু দূষণ মাপার প্রয়োজন হয়, যেখানে মানুষের পক্ষে যাওয়া কষ্টসাধ্য। খনির মতো কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে স্বশরিয়ে বায়ু দূষণ মাপা ঝুঁকিপূর্ণও বটে। এসব স্থানে ড্রোনটি সহজেই বায়ুদূষণ মাপতে পারে। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে বেশ বড় এলাকার বায়ু দূষণের মাত্রা মাপা যায় দ্রুত। এতে ব্যয়ও কম হয়।
মনিকার তৈরি করা ড্রোনটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫০০ মিটার উপরে পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়া এতে দেখার জন্য রয়েছে ক্যামেরা। বেশ কিছু যন্ত্রপাতি সজ্জিত থাকায় এর ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই বর্তমানে এটি একটানা ১০ মিনিট উড়তে পারে। নির্মাতা জানিয়েছেন, ড্রোনটির দ্বিতীয় সংস্করণ তৈরির কাজ চলছে। সেটি একটানা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উড়তে পারবে। এছাড়া সেটি আরো উপরেও উড়তে পারবে।
(ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত)

img_0809

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s